অধ্যায়ঃ ৭ – গ্যাসীয় বিনিময়

SSC / জীববিজ্ঞান

অধ্যায়ঃ ৭ – গ্যাসীয় বিনিময়

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদিঃ গ্যাসীয় বিনিময়, শ্বসনতন্ত্রের অংশ, শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ

গ্যাসীয় বিনিময়ঃ

উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন-এই দুটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যাসীয় বিনিময় হয়ে থাকে।সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত অক্সিজেনের কিছু অংশ শ্বসন প্রক্রিয়ায় ব্যয় হয় আবার,শ্বসন প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত কার্বন-ডাই-অক্সাইডের কিছু অংশ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার হয়।তাই আদান-প্রদানকৃত অক্সিজেন-কার্বন-ডাই-অক্সাইডের গ্যাসের পরিমাণ প্রায় সমান।

শ্বসনতন্ত্রঃ

যে অঙ্গগুলোর সাহায্যে শ্বাসকার্য পরিচালিত হয়,তাদের একত্রে শ্বসনতন্ত্র বলে।শ্বসনতন্ত্রের সাথে সম্পৃক্ত অঙ্গগুলো হলোঃ

১.নাসারন্ধ্র ও নাসাপথ

২.গলবিল

৩.স্বরযন্ত্র

৪.শ্বাসনালী 

৫.ব্রংকাস

৬.ফুসফুস 

৭.মধ্যচ্ছদা

শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ হলো ফুসফুস । এটি স্পঞ্জের মতো নরম এবং কোমল,হালকা লালচে রঙের।ডান ফুসফুস তিন খন্ডের এবং বাম ফুসফুস দুই খন্ডে বিভক্ত।এখানে কিছু বায়ুথলি আছে , যাদের অ্যালভিওলাস বলে।

শ্বাসনালী সংক্রান্ত রোগঃ

১.অ্যাজমা বা হাঁপানিঃ বায়ুর সাথে ধোঁয়া,ধূলাবালি,ফুলের রেণু ইত্যাদি শ্বাস গ্রহণের সময় ফুসফুসে প্রবেশ করলে এটি দেখা দিতে পারে।

লক্ষণঃ

১.হঠাৎ শ্বাসকষ্ট হয়

২.ফুসফুসের বায়ুথলিতে ঠিকমতো অক্সিজেন সরবরাহ হয় না বা বাধাগ্রস্হ হয়,ফলে রোগীর বেশি কষ্ট হয়

৩.কাশির সাথে কখনো সাদা কফ বের হয়

৪.জ্বর থাকে না

৫.রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে

এজন্য আমাদের ধুমপান জাতীয় পদার্থ ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

২. ব্রংকাইটিসঃ শ্বাসনালীর ভিতরে আবৃত প্রদাহকে ব্রংকাইটিস বলে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ঝিল্লিগাত্রে প্রদাহ হতে পারে।একবার এ রোগে আক্রান্ত হলে বারবার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

লক্ষণঃ

১.কাশি,বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট হয়

২.কাশির সময় বুকে ব্যথা অনুভূত হয়

৩.শক্ত খাবার খেতে পারে না

আমাদের ধুমপান,তামাক সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে।ধুলাবালিপূর্ণ জায়গায় কাজ করা যাবে না।

এছাড়াও যক্ষা, নিউমোনিয়া ইত্যাদিও এসব কারণে হতে পারে।

লিখেছেনঃ সোহানা ফেরদৌস 
ফার্মেসী বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *