এডমিশন টাইম বনাম ফ্রাস্ট্রেশন

Motivation

এডমিশন টাইম বনাম ফ্রাস্ট্রেশন

♦♦এডমিশন দিবা আর প্রেশার থাকবে না এমনটা তো হতেই পারেনা। খুবই কমন ব্যাপার এটা।তুমি কি ভাবছো, তুমি একাই প্রেশারে আছো!!আর অন্য সবাই ভিনদাস্ হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে!!! 

ডেফিনেটলি নট।

কোচিং এর ভুড়িভুড়ি শিট,গাদাগাদা বই, এ মোটিভেশন সে মোটিভেশন সব মিলিয়ে একটা যাচ্ছেতাই অবস্থা কাজ করছে সবার মাঝে নিশ্চয়। 

হ্যাঁ,আমি বলবো অবশ্যই এটা কাজ করবে।

কেননা আগে আমরা একাডেমিক লাইফে মনে করো, ইংলিশের একটা টপিক কতদিন নিয়ে পড়তাম আর এখন!!!

এখন কোচিং এ একটা শিটের ভেতর কতগুলো টপিক থাকে তাও টিচার একদিনে লেকচার দিয়ে দেন।এখানে প্রেশার ব্যাপারটা একটু কাজ করাটা কি সিম্পল নয় বলো!!!

শোনো,এটা যদিও এরকম একটা  অবস্থা তোমাদের বাট তোমাকে কিন্তু মাথা ঠান্ডা রেখে এগিয়ে যেতে হবে কারন এই সময়টাতে যে মাথা ঠান্ডা রেখে এগিয়ে যেতে পারবে সেই গেইনার।

কোচিং এ এগিয়ে যাক সমস্যা নেই তোমার যে কোচিং এর সাথেই তাল মিলিয়ে পড়তে হবে এমনটা কথা নেই 

তুমি তোমার মত করে রুটিন বানিয়ে বাসায় পড় এতেই হবে।তবে মনে রাখবে প্রতিটা সাবজেক্ট বা শিট বিশেষ করে ইংলিশটা রিভিউ দেয়ার জন্য সময় রাখবে।

♦♦আরেকটা সমস্যা এই টাইমে খুব বেশি নটিস করা যায় সেটি হচ্ছে তুমি যাই পড়ছো না কেন খুব কঠিন মনে হচ্ছে প্রথমবার এটা নিয়েও টেনশনের কিছু নেই।।

তুমি যে জিনিসটা এর আগে একবারও পড়োনি সেটা প্রথমবার পড়লে একটু টাফ লাগবে এটাই তো স্বাভাবিক তাইনা!!! তুমি ওই টপিকটাই যখন একাধিকবার পড়বে তখন দেখবে ইজি মনে হবে।

♦♦এডমিশন টাইমে স্টুডেন্টদের সবথেকে যে ম্যাটারটা নিয়ে একটা কনসার্ন থাকে তার মধ্যে অন্যতম একটা ব্যাপার হলো তুমি যাই পড়ে যাচ্ছো কদিন পরে সেটা দেখলে মনে হয় এর আগে তুমি এটা দেখোইনি এটা কেন হয় জানো!

রিভিশনের অভাবে। সো এখানেও টেনশনের কিছু নেই। রিভিশন দিলেই তুমি পারবে।

♦♦তুলনাঃ

 ঢাবিসহ পাবলিকগুলোয় হাজার হাজার স্টুডেন্ট এডমিশন দিবে।হাজারটা স্টুডেন্ট হাজারটা কোয়ালিটি নিয়ে আসবে এটাই তো স্বাভাবিক তাইনা! তাই কোচিং করো বা নাই করো কখনো অন্যের সাথে নিজেকে মিলাতে যাবে না।কারন তুলনা করতে গেলেই তোমার মাঝে নেগেটিভ একটা চিন্তাভাবনা কাজ করবে যেটা তোমার কনসেনট্রেশন ড্রপ করতে পারে।কোচিং এ একটা ছেলে বা মেয়ে তোমার থেকে ভালো পারফর্ম করছে এর মানে এটা না যে ও চান্স পেয়ে গেছে আর তুমি শেষ। দিনশেষে একটা কথা মাথায় রাখবা বিশেষ করে ঢাবি অ্যাটলিস্ট কোনো কোচিং বা কোনো বইকে হুবহু ফলো করেনা।যার মেইন বইয়ের ওপর ভালো দখল থাকবে সেই এবার গেইনার হবে মাথায় রাইখো কথাটা।

সবসময়ই একটা কনফিডেন্স রাখবা যে অন্যে কি পারুক সেটা তোমার দেখার বিষয় না তুমি তোমার প্রিপারেশনটা যদি প্রোপার ওয়ে তে নিতে পারো তোমাকে ইনশাআল্লাহ কেউ আটকাতে পারবে না।

♦♦প্রাকটিসঃ 

বেশি বেশি মডেল টেস্ট দিবা এতে করে তুমি তোমার অবস্থানটা বা তোমার দূর্বলতাগুলো সহজে ফাইন্ড আউট করতে পারবা।বিগত বছরের প্রশ্নগুলো সলভ করবা এটাও কাজে দিবে কমবেশি। 

শুভকামনা


HM Mahiuddin,

IER,DU

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *