প্রস্তুতি সহায়ক নির্দেশনা

Motivation

প্রস্তুতি সহায়ক নির্দেশনা

তাদেরকে বলছি, যারা এবারে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরিক্ষা দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে রীতিমত ঘাম ঝরানো শুরু করে দিয়েছ বা প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য মানসিকতা তৈরী করছ। 

ও হ্যা , আগেই আমার পরিচয় টা একটু দিয়ে নিই, যদিও অনেকে হয়ত আমাকে চেন যেহেতু এই গ্রুপের এডমিন হওয়ার সুবাদে প্রায়শই বিভিন্ন পোস্ট করে থাকি। 

আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। আজ আমি তোমাদের কে এমন কিছু বিষয় বলতে চলেছি যা হয়ত তোমাদের মধ্যে কারও না কারও কাজে লাগতে পারে, আবার নাও লাগতে লাগতে পারে।

সমাজবিজ্ঞান পড়ার সুবাধে সমাজকে বোঝার একটা প্রয়াস যেমন অর্জন করেছি, তেমনি মানুষের মন‌োভব, মনের অবস্থার প্রভাব যে জীবনে প্রবলভাবে প্রভাব ফেলে সেটাও প্রতিনিয়ত বোঝবার চেষ্টা করেছি। সে জন্য তোমাদের সাথে কিছু কথা শেয়ার করতে চাই, বিভিন্ন মনো-পরিস্থিতির আলোকে। আশাকরি তোমার মনো-পরিস্থিতিও উঠে এসেছে, যদি তুমি তা খুজে নিতে পারো।

আগে বলে নিই, কিছু কিছু বিষয় আছে, যা আমাদের সমাজের মানুষের মধ্যেই প্রতিনিয়ত নিহিত থাকে যা প্রকাশে ইতস্তত বোধ চলে আসে, সেরকম কিছু বিষয়ও তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, তাই কিছু না মনে করে স্বাভাবিক ভাবে নিও। 

#যারা_ভাবছ_জিপিএ_কম_কলেজ_ভাল_না 

প্রথমেই মাথা থেকে জিপিএ এবং কলেজের কথা ঝেড়ে ফেল। 

জিপিএ চান্স পাওয়ার ক্ষেত্রে হেল্প করে ঠিকই, কিন্তু অপেক্ষাকৃত কম জিপিএ থেকেও প্রতি বছর ঢাবিতে চান্স পেয়ে আসছে। কারণ, ভর্তি পরীক্ষায় ভাল করা। 

এমন অনেক দেখেছি, যারা দুইটাতে গোল্ডেন পেয়েও ভর্তি পরীক্ষার ইংরেজীতে ফেল করে, তখন তাদের জিপিএ কোন কাজে লাগল? লাগল না। অথচ ভর্তি পরীক্ষায় অনেক ভালো করার ফলে জিপিএ কম থাকলেও অনায়াসে চান্স পেয়ে যায় অনেকে। 

তাই বলব, জিপিএ তো আর চাইলেও পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, তাই না! এজন্য পর্যাপ্ত প্রিপারেশন নাও, ভর্তি পরিক্ষায় সর্বোচ্চ ভালো করার চেষ্টা কর। 

এবার আসি কলেজের কথায়। অনেকের বলতে দেখবে যে ব্যাকগ্রাউন্ড ভাল কলেজ না হলে চান্স পাওয়া যায় না। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারনা। চান্স পাওয়া পিছনে কলেজ নয়, শিক্ষার্থীই দায়ী। তুমি যেখান থেকেই উঠে আস না কেন, প্রস্তুতি যদি ভাল থাকে, নির্ভয়ে পরিক্ষা দাও। ইনশাল্লাহ, ভলো কিছুই হবে। 

উল্লেখ্য, ঢাবিতে প্রতিবছর ৬৪ টি জেলা থেকেই চান্স পায়। তাহলে আর বসে কেন? তোমার জেলার প্রতিনিধিত্ব করতে এখনই লেগে যাও। 

#যারা_ভাবছ_দারিদ্র_সফলতার_বাধা

হ্যা, সত্যি। দারিদ্র সফলতার পথে বাধা। কারন, কয়েকটা স্তর পাড়ি দিয়ে সফলতার সন্ধান পেতে হয়।আর সেই প্রত্যেকটা স্তরেই দারিদ্র বাধা হয়ে দাঁড়ায় এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু সেই বাধা ততক্ষণ পর্যন্ত, যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি তা পার হওয়ার চেষ্টা করছ। দেখ, তুমি দারিদ্র পরিবারের সন্তান, তাই বলে দোষ টা কি তোমার? নাকি তোমার পরিবারের? না, দোষ কারও নয়। দোষটা এই স্বার্থান্বেষী সমাজের।

 কিভাবে?  তার সোসিওলোজিকাল অনেক বড় ব্যাখ্যা রয়েছে। তবে তা এখানে উপস্থাপন করতে চাই না। শুধু তোমার বাংলা বই থেকে বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা “বিড়াল” গল্পটা রেফারেন্স হিসেবে দিলাম। মন দিয়ে আরেকবার পড়। আশাকরি, প্রশ্নটার উত্তর পেয়ে যাবে।

যে প্রসঙ্গে ছিলাম। তুমি দারিদ্র পরিবারের সন্তান তাই তোমাকে অনেক বাধা অতিক্রম করতে হবে। তোমার প্রধানত যে সমস্যায় পড়তে হবে তা হচ্ছে অর্থনৈতিক সাপোর্ট। হ্যা, এসময় ভর্তি-যুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে হলে তোমাকে কিছু বই কিনতে হবে যা তোমার পক্ষে কিছুটা অসম্ভব হয়ে যেতে পারে। কিন্তু ঘাবড়ে যেওনা কষ্ট হলেও প্রয়োজনীয় বই গুলো কিনে একটা প্রতিজ্ঞা কর যে, “এই কষ্ট কখনও বৃথা যেতে দেব না” । আর সত্য বলতে তা বৃথা যাবেও না, যদি তোমার ইচ্ছা ও চেষ্টা শক্তি প্রবল থাকে। 

তোমার জন্য একটা উৎসাহমূলক উদাহরণ হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৮০%ই নিম্ন বা মধ্যবিত্ত পরিবারের হয়ে থাকে। তাহলে তুমিও কেন পারবে না?? পারতে তোমাকে হবেই। 

#যারা_ধনীর_ঘরের_আদরের_সন্তান 

দেখ তুমি ধনী পরিবারের সন্তান হয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছ, দামী গাড়ি, এ সি বাড়ি, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আরো কত সুবিধা তুমি পাচ্ছ! কিন্তু তুমি কি ধনী? 

না। ধনী হল তোমার পরিবার। তোমার ব্যক্তিত্বের পরিচয় ঘটবে তখন, যখন তুমি তোমার যোগ্যতা দিয়ে একটা কর্মজগতে প্রবেশ করবে। প্রতিষ্ঠিত হবে। 

তোমার যোগ্যতা ও কর্মপ্রচেষ্টা দ্বারা আহরিত ধন-দৌলত তখনই তোমার বলে গণ্য হবে। অন্যথায়, পরাশ্রিত বলে গণ্য হবে। 

তাই, এখনই উপযুক্ত সময়। তোমার ক্যারিয়ার নিয়ে সচেতন হও। তোমার জন্য এটা অনেক সহজ। কারন, তোমার তো কোন অভাব নাই। যখন যা প্রয়োজন, পরিবার তোমাকে তা না চাইতেই দিয়ে দিচ্ছে। প্রতিদানে তুমি না হয় তোমার চেষ্টার সর্বোচ্চ টা দিয়ে দাও! 

আশাকরি, বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। মনে রাখবে, সম্পদের থেকে সম্মান দামী। তাই নিজেকে সম্মানীয় কোন আসনে দাড় করাতে সর্বোত্তম চেষ্টা চালিয়ে যাও এখন থেকেই। 

#যারা_কারও_প্রতি_দুর্বল_এবং_ভাবছ_প্রপোজ_করবা 

মানব জীবনে কারও প্রতি ভাললাগা সৃষ্টি হওয়া একটি অবশ্যম্ভাবী ব্যাপার। আর তা প্রবলভাবে উকি দেয় এই বয়সে, যে বয়সে তোমরা এখন আছো। এসময় কোন ছেলে কোন মেয়ের প্রতি, কিংবা কোন মেয়ে কোন ছেলের প্রতি দুর্বল হতেই পারে। জানি, তোমাদের মধ্যে এমন অনেকে আছো যারা তোমাদের কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে পাওয়ার জন্য প্রবল আবেগে আচ্ছন্ন। আমি তোমাদের এই আবেগকে নিরুৎসাহিত করছি না, বরং একটু বিলম্বিত করছি। অর্থাৎ, তুমি তোমার চাওয়টা অবশ্যই পুরণ করবে। কিন্তু আর একটু পরে। ভর্তি পরীক্ষার পরে। জানি, একটু কষ্ট হবে। কিন্তু এটা মিষ্টি কষ্ট। তাই তোমার কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে পাওয়ার আবেগকে প্রবল বেগে পরিনত করে পড়াশোনার শক্তিতে । লাভ হবে। যখন সফল হবে, ভর্তি হবে কোন এক প্রখ্যাত বিদ্যাপীঠে, তখন সেই কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে পাওয়ার পথ অনেক সোজা হয়ে যাবে। সোজা হয়ে যাবে ক্যারিয়ার গড়ার পথও। 

#যারা_ভালবাসায়_ব্যর্থ_এবং_ভাবছ_জীবন_এলোমেলো 

হ্যা, 

জানি তোমাদের কেউ কেউ অতি আবেগের বশে বশীভূত হয়ে, কারও প্ররোচনায় প্ররোচিত হয়ে, কিংবা দূর্ভাগ্যের স্বীকার হয়ে প্রচলিত “ছ্যাকা” খেয়ে বসে আছ। আর প্রচন্ড মনো-ব্যাথায় ভুগছো। 

প্রথমে অন্তত আমি তোমাদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। 

জানি তোমাদের কিছুই ভালো লাগে না। এমনকি এই পোস্টাও হয়ত পড়তে বিব্রত বোধ করছ ॥তাই কথা বাড়াবো না, শুধু প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের কিছু উক্তি বলে যাব।

 আশা করছি এই উক্তি/বাণীগুলো গভীরভাবে হৃদয়ঙ্গম করে বিবেককে জাগ্রত করার চেষ্টা করবে, তাহলে আত্ম সমাধান পেয়ে যাবে। 

” যখন মানুষের খুব প্রিয় কেউ তাকে অপছন্দ, অবহেলা কিংবা ঘৃণা করে তখন প্রথম প্রথম মানুষ খুব কষ্ট পায় এবং চাই যে সব ঠিক হয়ে যাক। কিছুদিন পর সে সেই প্রিয় ব্যক্তিকে ছাড়া একা থাকতে শিখে যায়। আর অনেক দিন পরে সে আগের চেয়েও অনেক বেশি খুশি থাকে যখন সে বুঝতে পারে যে, কারও ভালবাসায় জীবনে অনেক কিছুই আসে যায় কিন্তু কারও অবহেলায় সত্যি কিছু আসে যায় না। ” 

” এই পৃথিবীতে চোখের জলের মত পবিত্রতো আর কিছু নেই। এই পবিত্র জলের স্পর্শে সব গ্লানি, সব মালিন্য কেটে যায়। “

” মানুষের সব শখ মেটা উচিত নয়। কোন একটা ডিসস্যাটিসফিকেশন থাকা দরকার। তাহলে বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে। সব শখ মিটে গেলে তো বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা নষ্ট হয়ে যায়। যে সব মানুষের শখ মিটেগেছে, তারা খুব অসুখী মানুষ। “

আশাকরি এই তিনটাই যথেষ্ট, তোমার জীবনকে উপলব্ধি করার। দেখ, সমাজ তোমাকে হয়ত কিছু দেয়নি, তাই বলে তুমিও কি সমাজকে কিছু দেবে না!? কাউকে নিঃস্বার্থ ভাবে কিছু দিয়ে যে প্রশান্তি পাবে, তা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুন্দরীর ভালবাসার মধ্যেও পাবেনা। তাই যা হয়েছে ভুলে যাও, নিজেকে তৈরী কর, নিজের জন্য নয়, পরের জন্য। তোমারই আগামিদিনের মহা মানব হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রাখ। 

#যারা_ইতোমধ্যে_প্রেম_জগতে_বিরচন_করেছ 

প্রথমেই বলছি, তোমরা দোষের কিছু করনি। আমরা খাদ্যদ্রব্য খাই যেমন জৈবিক চাহিদা মেটাতে, তেমনি আবেগও মানুষের জৈবিক চাহিদারও একটি অংশ। আর সেই আবেগের বশে বশীভূত হয়ে ১৭ /১৮ বছর বয়সে আবেগীয় রিলেসনের পথে পা বাড়ানো টা অস্বাভাবিক কিছু নয়। 

তবে মনে রাখবে, 

আমরা নিশ্চয় চব্বিশ ঘন্টাই খাই না! কিংবা রাত দিন সব সময় ঘুমাই না! যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু খাই কিংবা যতটুকু ঘুমানোর ঘুমাই। 

তেমনি, তোমার সময়টাকে শুধু প্রেম সাগরেই ভাসিয়ে দিওনা। একটা পরিমিত পর্যায়ে রাখবে। যেন এটার প্রভাব অন্যান্য কাজে বিশেষ করে পড়াশোনায় যেন একটুও না পড়ে। বরং প্রেমের প্রশান্তি কে পরিনত কর প্রবল পড়াশোনায়। 

তবেই তুমি পাবে স্বার্থকতা। 

তবে হ্যাঁ, 

যারা এখনো এই আবেগ কে নিয়ন্ত্রণে রেখেছো এবং পা বাড়াও নি প্রেমের পথে, তাদের উদ্দেশ্যে বলব – তোমরা অনেক শক্তিশালী। নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা আরো বাড়ানোর চেষ্টা কর।ধৈর্য ধর পরিপক্ক বুদ্ধির আগ পর্যন্ত। 

কথায় বলে না, ধৈর্য্যে মেওয়া ফলে। 

মন দাও পড়াশোনায়। 

#যারা_ফেসবুক_ইউটিউবে_আসক্ত 

বর্তমান সময় তথ্য প্রযুক্তির যুগ। অনলাইন নির্ভর যুগ। কাজেই তুমি অবশ্যই অনলাইনে থাকবে। দিনে কত বার যাও অনলাইনে? 

 ২ বার? ৩ বার? ৪ বার?   

না হয় পাঁচ বারই যাও!! 

তবে…. 

তোমাকে অবশ্যই এবার একটা রুটিনে আসতে হবে। এই যেমন ধর – 

ভোরে ১ বার তবে আধা ঘন্টা 

সকালে ১ বার তবে আধা ঘন্টা 

দুপুরে একবার তবে ১৫ মিনিট 

বিকালে ১ বার তবে ১৫ মিনিট 

রাতে ১ বার তবে আধা ঘন্টা। 

হল তো পাচঁবার। কিন্তু সময় কত যাচ্ছে? ২ ঘন্টা। 

এখন ২৪ ঘন্টা থেকে ২ ঘন্টা বাদ দাও। থাকে ২২ ঘন্টা। খাওয়া, ঘুম, গোসল অন্যান্য বাবা বাদ দাও ১০ ঘন্টা। আর থাকে কত? ১২ ঘন্টা ॥হ্যাঁ, এই ১২ ঘন্টা তোমাকে একনিষ্ঠ ভাবে পড়াশোনায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। যদি সফলতা চাও। 

আর তা ছাড়া, তুমি যখন অনলাইনে থাকবে, তখনও তুমি অনেক শিক্ষানীয় বিষয় বা কন্টেন্ট দেখতে পার। কারণ, ইউটিউব বা ওয়েব সাইটে অনেক শিক্ষামূলক অ্যাড্রেস রয়েছে। যেখান থেকে অনায়াসে তোমার জ্ঞান কে শানিত করতে পার। 

উল্লেখ্য, এই পরামর্শ টা তাদের জন্য, যা অনলাইনে তীব্র আসক্ত। মনে রাখবে, 

“The more you waste your time in online, the more you stay out line from getting chance to University! “

#যাদের_একটানা_পড়তে_বিরক্ত_লাগে

জানি, তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ আছ, যারা একটানা অনেক সময় পড়াশোনা করতে বিরক্ত বোধ কর, আর সত্য বলতে আমিও তোমাদের দলে ছিলাম। তাই আমার অভিজ্ঞতার আলোকেই সমাধান দিই, অর্থাৎ আমি কি কি করতাম। 

আমি যেটা করতাম তা হল, পড়াশোনা টা কে অন্যান্য কাজের মধ্যেও অন্তর্ভুক্ত করে নিতাম। কিভাবে? 

এই যেমন ধর কিছু বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ পাতাগুলো ফটোকপি করে আমার পড়ার টেবিলের সামনে, দেয়ালে 

কিংবা রুমের দরজায় মেরে রাখতাম। হাটা চলা করতে করতে সেগুলো চোখ বুলিয়ে নিতাম, মুখস্থ হয়ে যেত। 

আরো একটা কাজ করতে পার, যেটা আমি করতাম । তোমার স্মার্টফোন দিয়ে পঠিত বইয়ের পৃষ্ঠা গুলো ছবি তুলে রাখতে পার। এবং বিভিন্ন ফ্রি সময়ে মোবাইল থেকে পড়তে পার। । 

এই যেমন ধর, তুমি ক্রিকেট খেলছ, এখন তোমাদের দলের ব্যাটিং চলছে , তুমি শুধু শুধু বসে আছ। তখন ফোন থেকে পড়তে পার। আবার ধর, তুমি বাসে করে কোথাও যাচ্ছ, তখন ফোনের মাধ্যমে পড়তে পার। এছাড়া, বর্তমান ভর্তি পরিক্ষা সংশ্লিষ্ট অসংখ্য শিক্ষামূলক অ্যাপস রয়েছে, যা সংগ্রহ করে ইন্সটল দিয়ে রাখতে পার এবং অবসরে চোখ বুলাতে পার। 

এভাবে সবসময় পড়ার মধ্যে থাকতে হবে। 

আমিও থাকার চেষ্টা করেছিলাম। বিনিময়ে আজ আমি ঢাবির স্টুডেন্ট। আশাকরি, ঢাবি এখন তোমার প্রত্যাশায়। 

কথা বলতে বলতে অনেক কথা বলে ফেললাম। আর দীর্ঘায়িত করব না পরিশেষে একটা কথা, 

হয়ত অনেকের মনো-পরিস্থিতি এখনও আমি ধরতে পারিনি, কিংবা কিছু কিছু বিষয়ে হয়ত তোমরা এখন পরামর্শের অপেক্ষায়। তাদের জন্য বলব – 

তোমাদের যে কোন সাহায্যে আমি সদা নিবেদিত। তোমার যে কোন সমস্যা নির্দিধায় আমাকে ইনবক্স করতে পার, চেষ্টা করব তার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে। কারণ, জানি, তোমরা এখন এমন এক পথের পথিক, যারা মহাসমুদ্রে অবস্থানরত, চোখে শুধু বিস্তৃত আসমান আর সাগরের ঢেউ ছাড়া কিছুই দেখছ না ।

 সময়ের কাজ সময়ে কর। সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ। 

ভাল থেকো। 

#সফল_হোক_সুন্দর_ভবিষ্যতের_যাত্রা


Toimur Rahman Mridha

Instructor, SILSWA

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *